• বুধবার   ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ||

  • মাঘ ২৫ ১৪২৯

  • || ১৬ রজব ১৪৪৪

ঝালকাঠি আজকাল
ব্রেকিং:

ভারতে পর্নোগ্রাফি ভিডিও বিক্রি করে দেশে হুন্ডিতে টাকা আনতেন তারা

ঝালকাঠি আজকাল

প্রকাশিত: ১২ নভেম্বর ২০২২  

ডার্ক ওয়েব থেকে চাইল্ড পর্নোগ্রাফি ভিডিও সংগ্রহ করে দেশে-বিদেশে টাকার বিনিময়ে সরবরাহ করতো একটি চক্র। চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে পার্শ্ববর্তী দেশে পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ করে হুন্ডির মাধ্যমে টাকা সংগ্রহ করতো। পর্নোগ্রাফি ভিডিও কন্টেন্টের মাধ্যমে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে তারা।

এ অভিযোগে চক্রের তিনজনকে গ্রেফতার করেছে কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিট।

গ্রেফতাররা হলেন-মো. আব্দুল হালিম (১৯), মোজাহিদ (২২) ও মো. আব্দুল্লাহকে (১৮)। তাদের কাছ থেকে তিনটি মোবাইলফোন এবং ৮টি সিম কার্ড জব্দ করা হয়। তাদের মোবাইলফোনে বিপুল পরিমাণ পর্নোগ্রাফি ভিডিও কন্টেন্ট পাওয়া যায়।

বৃহস্পতিবার (১০ নভেম্বর) রাতে সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. নাজমুল ইসলাম এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, গ্রেফতাররা প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও টেলিগ্রাম ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি ভিডিও বিক্রি করার বিজ্ঞাপন প্রচার করতো। মূলত উঠতি বয়সী তরুণ ও যুবকদের টার্গেট করে এসব পর্নোগ্রাফি ভিডিও কন্টেন্ট বিক্রি করছিল।

মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিস ব্যবহার করে পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ করে অবৈধ ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করততো তারা। চাইল্ড পর্নোগ্রাফি ভিডিওসহ সব ধরনের পর্নোগ্রাফি ভিডিও তারা ক্লাউড স্টোরেজ মেগা নামক সফটওয়্যারের মাধ্যমে সরবরাহ করে আসছিল। গ্রেফতারদের মোবাইলফোনে বিপুল পরিমাণ পর্নোগ্রাফি ভিডিও কন্টেন্ট পাওয়া যায়।

এডিসি নাজমুল ইসলাম আরও বলেন, ডার্কওয়েব থেকে তারা চাইল্ড পর্নোগ্রাফি ভিডিও ও বিভিন্ন অ্যাবিউসিভ ভিডিও সংগ্রহ করে গ্রেফতার আব্দুল্লাহ অনলাইন ক্লাউড স্টোরেজ মেগা ব্যবহার করে অন্যদের কাছে অর্থের বিনিময়ে সরবরাহ করতেন।

মো. আব্দুল্লাহ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতেও একই পদ্ধতিতে পর্নোগ্রাফি ভিডিও সরবরাহ করে হুন্ডির মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করতো বলে জানান নাজমুল ইসলাম।

সিটি-সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশনের এ কর্মকর্তা বলেন, গ্রেফতাররা ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে মোবাইল ব্যাংকিং সার্ভিসে অ্যাকাউন্ট খুলে ই-ট্রানজেকশনের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করতো। পর্নোগ্রাফি ভিডিও কন্টেন্টের মাধ্যমে এ পর্যন্ত তারা ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় মামলা হয়েছে।

অভিযুক্তদের কাছে বেশকিছু শিশু পর্নোগ্রাফির কন্টেন্ট পাওয়া গেছে। তাদের সঙ্গে আরও অনেকেই জড়িত আছে। জড়িতদের শিগগির আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান সিটি-সাইবারের এডিসি নাজমুল।

ঝালকাঠি আজকাল