• শনিবার   ২৫ জুন ২০২২ ||

  • আষাঢ় ১১ ১৪২৯

  • || ২৪ জ্বিলকদ ১৪৪৩

ঝালকাঠি আজকাল
ব্রেকিং:
১০০ বছরেও কোনও ক্ষতি হবে না পদ্মা সেতুর: মন্ত্রিপরিষদ সচিব বাঙালি জাতির সমস্ত অর্জন আওয়ামী লীগের হাত ধরে এসেছে: তথ্যমন্ত্রী সংক্রমণ বাড়ছে, শিগগির বুস্টার ডোজ নিন: স্বাস্থ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরো শক্তিশালী করতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুরাইনের ঘটনায় যার যতটুকু অপরাধ, তার বিচার হবে: আপিল বিভাগ সেবা সহজ করতে নিরাপদ আইটি অবকাঠামো জরুরি: প্রতিমন্ত্রী মাঙ্কিপক্স সন্দেহে তুরস্কের এক নাগরিক হাসপাতালে বাংলাদেশ ব্লকচেইন প্রযুক্তিতে বিশ্বকে নেতৃত্ব দেবে: পরিকল্পনামন্ত্রী সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণ নাশকতা কি না, খতিয়ে দেখা হবে: তথ্যমন্ত্রী আগুনে নিহত শ্রমিকদের ২ লাখ টাকা দেওয়া হবে: শ্রম প্রতিমন্ত্রী

খালেদার নাইকো দুর্নীতি কেলেঙ্কারী

ঝালকাঠি আজকাল

প্রকাশিত: ১৮ জুন ২০২২  

২০১১ সালের ২৩ জুন কানাডার একটি আদালত খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন তার সরকারের জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশাররফ হোসাইনের দুর্নীতি মামলার বিষয়ে উপযুক্ত তথ্য-প্রমাণ পেয়েছিল। 

মোশাররফ কানাডার কোম্পানি নাইকোকে অনৈতিকভাবে সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে একটি বিলাস বহুল গাড়ি উপহার পেয়েছিলেন এ কোম্পানির থেকে। যার আর্থিক মূল্য ছিল কানাডিয়ান মুদ্রায় ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৮৪ ডলার।

নাইকো আরো ৫ হাজার কানাডিয়ান ডলার ঘুষ দিয়েছিল মোশাররফকে সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের জন্য। আর মোশাররফ হোসাইনকে ঐ ঘুষ দেওয়া হয়েছিল এটা নিশ্চিত করতে যে, নাইকো বাংলাদেশ থেকে তাদের নিজেদের নির্ধারিত দামে গ্যাস কিনতে পারবে এবং তা বিক্রি করতে পারবে। আর গ্যাসক্ষেত্রে বিস্ফোরণের কারণে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত জরিমানা আরো কমানো হবে।

২০১৭ সালের ২৪ আগস্ট বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট রিট পিটিশনের (পিটিশন নম্বর ৫৬৭৩) রায় দেয়। জিয়া পরিবার রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ, এফবিআই এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের সমস্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই সিদ্ধান্তে পৌঁছায় যে, ২০০৩-২০০৬ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ খালেদা জিয়ার প্রধানমন্ত্রীত্বকালীন সময়ে নাইকোর কাছ থেকে বড় ধরনের ঘুষ লেনদেনের ঘটনা ঘটেছিল অনৈতিকভাবে তাদের সুবিধা দেওয়ার নামে।

বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আদেশের লক্ষ্যণীয় বিষয় হলো, নাইকো একেবারে নির্লজ্জভাবে ঘুষ দিয়েছিল। নাইকো তাদের এজেন্ট কাশিম শরীফকে ৪ মিলিয়ন ডলার দিয়েছিল এবং ঢাকা ক্লাবের সাবেক সভাপতি সেলিম ভুঁইয়ার (তারেক রহমানের অপকর্মের আরেক দোসর সিলভার সেলিম) মাধ্যমে ৫ লাখ ডলার দিয়েছিল।

আর নাইকো তাদেরকে পরামর্শক হিসেবে এই টাকা দিয়েছিল যা তৎকালীন সরকারের উচ্চ পদস্থ কর্তাদের প্রদান করতে এবং তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করিয়ে দিয়েছিলেন। যার তথ্য-প্রমাণ জোগাড় করেছে রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই। 

তাদের তথ্য-উপাত্ত এটাই প্রমাণ করে যে, নাইকো তাদের বাংলাদেশি এজেন্টদেরকে সুইস ব্যাংকের মাধ্যমে প্রথমে বার্বাডোজের একটি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কাশিম শরিফ এবং সেলিম ভুঁইয়ার অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকাগুলো দেয়। পরে ঐ টাকা চলে যায় তারেকের ঘনিষ্ঠ বন্ধু গিয়াসউদ্দিন আল মামুন ওরফে খাম্বা মামুনের অ্যাকাউন্টে।

ঝালকাঠি আজকাল