• শুক্রবার ০১ মার্চ ২০২৪ ||

  • ফাল্গুন ১৭ ১৪৩০

  • || ১৯ শা'বান ১৪৪৫

ঝালকাঠি আজকাল
ব্রেকিং:
নতুন নতুন অপরাধ দমনে পুলিশকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ ‘কোনো একটি জিনিস না খেলে রোজা হবে না, এ মানসিকতা পাল্টাতে হবে’ পণ্যমূল্য সহনীয় রাখতে সরকারের পাশাপাশি জনগণেরও নজরদারি চাই রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকবে পুলিশকে জনগণের বন্ধু হয়ে নিঃস্বার্থ সেবা দেয়ার নির্দেশ রাষ্ট্রপতি বিশ্বের সম্ভাব্য সকল স্থানে রপ্তানি বাজার ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জরুরি গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার পুলিশ জনগণের বন্ধু, সে কথা মাথায় রেখেই দায়িত্ব পালন করতে হবে অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে, পুলিশকেও সেভাবে আধুনিক হতে হবে

ছয় কোটি টাকার প্রণোদনা পেয়েছে বরিশালের চাষীরা

ঝালকাঠি আজকাল

প্রকাশিত: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪  

আমন উৎপাদন মৌসুমে জেলায় ৮৩ হাজার পাঁচশ’ কৃষককে বিভিন্ন ফসল উৎপাদনের জন্য ছয় কোটি ৩৬ লাখ ৬৫ হাজার টাকারও অধিক সরকারি প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। উৎপাদিত ফসলগুলোর মধ্যে রয়েছে উচ্চ ফলনশীল বোরো, ভুট্টা, সরিষা, খেসারি, মুগ, গম, সূর্যমূখী, তিল, বাদাম, সয়াবিন ও মসুর ডাল।

রোববার দুপুরে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, বোরো চাষের জন্য ৩০ হাজার কৃষককে জনপ্রতি দুই কেজি করে হাইব্রিড জাতের বীজ ও ২০ কেজি সার, উফশী বোরো চাষের জন্য ১৮ হাজার কৃষককে জনপ্রতি পাঁচ কেজি করে বীজ ও ২০ কেজি সার, গম চাষের জন্য ৩০ হাজার কৃষককে জনপ্রতি ২০ কেজি করে বীজ ও ২০ কেজি সার, ভুট্টা চাষের জন্য ১ হাজার দুইশ’ কৃষককে ২ কেজি করে বীজ ও ৩০ কেজি সার, সরিষা চাষের জন্য ১ হাজার দুইশ’ ২০ জন কৃষককে জনপ্রতি ১ কেজি করে বীজ ও ২০ কেজি সার, বাদাম চাষের জন্য একশ’ ষাটজন কৃষককে জনপ্রতি ১০ কেজি করে বীজ ও ২০ কেজি সার, সয়াবিন উৎপাদনের জন্য ২ হাজার পাঁচশ’ কৃষককে ১২ কেজি করে বীজ ও ১০ কেজি সার, মুগডাল উৎপাদনের জন্য ১২ হাজার আটশ’ কৃষককে জনপ্রতি পাঁচ কেজি করে বীজ ও ১০ কেজি সার, মসুর ডাল উৎপাদনের জন্য আটশ’ জন কৃষককে জনপ্রতি পাঁচ কেজি করে বীজ ও ১০ কেজি সার এবং খেসারি উৎপাদনের জন্য ১ হাজার চারশ’ কৃষককে আট কেজি করে বীজ ও ১০ কেজি সার প্রদান করা হয়েছে।

কৃষি অফিস সূত্রে আরও জানা গেছে, সদ্য সমাপ্ত আমন মৌসুমে ১ লাখ ২৬ হাজার মেট্রিক টন ধান উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু সরকারি সহায়তার সুফলে মৌসুম শেষে ১ লাখ ২৭ হাজার পাঁচশ’ মেট্রিক টন আমন ধান উৎপাদিত হয়েছে। পাশাপাশি কৃষকরা গত বছরের চেয়ে এবছর কৃষকরা দামও বেশি পাচ্ছেন। পাশাপাশি এবার বরিশাল জেলায় সমলয় পদ্ধতিতে বাবুগঞ্জ এবং গৌরনদী উপজেলায় ৫০ একর করে মোট একশ’ একর জমিতে বোরো ধানের আবাদ করা হয়েছে। এর উদ্দেশ হচ্ছে সঠিক সময়ে, স্বল্প খরচে এবং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা। এতে একইসাথে এক জায়গায় বপন, রোপন, কর্তন, মাড়াই এবং ঝাড়াইয়ের কাজ খামার যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে করা সম্ভব হবে। ফলে একদিকে যেমন কৃষকের অর্থ এবং সময় সাশ্রয় হবে তেমনিভাবে উৎপাদন খরচও কম লাগবে।

ঝালকাঠি আজকাল