শুক্রবার   ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২৯ ১৪২৬   ১৫ রবিউস সানি ১৪৪১

ঝালকাঠি আজকাল
২৫৩

ধ্বংসলীলার রিহার্সেলে খুশি তারেক, লাশেও আপত্তি নেই

প্রকাশিত: ১৭ নভেম্বর ২০১৮  

নিউজ ডেস্ক: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের বর্বরোচিত আক্রমণ ও ধ্বংসলীলা দেখে নির্বাচনের পূর্বে বিএনপির সহিংসতার রিহার্সেলে খুশি হয়েছেন তারেক রহমান। নির্বাচনের পূর্বে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরো সহিংসরূপ দেখানোর জন্য দল ও জোটের নেতা-কর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন তারেক রহমান। যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির আহমেদ শাহীনের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে তথ্যের সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

লন্ডন বিএনপি নেতা নাসির আহমেদ শাহীনের ঘনিষ্ঠ সহচর এখলাস উদ্দিনের বরাতে জানা যায়, নির্বাচন পেছানো এবং নির্বাচনকালীন সময়ে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে ১০ নভেম্বর রাতে রিজভী আহমেদ ও মির্জা আব্বাসকে ফোন করে যেকোন ইস্যুতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির নির্দেশ দেন তারেক রহমান। ইস্যু না থাকলেও নয়াপল্টন পার্টি অফিসের আশপাশে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের গায়ে পড়ে ইস্যু তৈরি করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করারও আদেশ দেন তারেক। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশব্যাপী আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতে প্রয়োজনে দু’একটি লাশও ফেলে দেওয়ার আদেশ দেন তারেক। তারেক রহমানের নির্দেশনা পেয়েই রিজভী আহমেদ ও মির্জা আব্বাসের পৃষ্ঠপোষকতায় বিএনপি-জামায়াত কর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের সাহসী ও মারমুখী ভূমিকায় পিছু হটতে বাধ্য হয় পুলিশ। এদিকে নির্বাচনের পূর্বে তাণ্ডবলীলা চালিয়ে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি নিজেদের ক্ষোভ ও প্রতিশোধের বার্তা পৌঁছে দেওয়ার জন্য বিএনপি-জামায়াত কর্মীদের রিহার্সেলে ব্যাপক খুশি হয়েছেন তারেক রহমান।

এখলাস উদ্দিন আরও জানান, নির্বাচন পিছিয়ে দিতে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সাংগঠনিক শক্তি প্রদর্শন করে নিজেদের পক্ষে কাজ করার মেসেজ দিতেই বিএনপি-জামায়াত কর্মীরা তারেক রহমানের নির্দেশে তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে।

এই বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা বলেন, বিএনপি এবারের নির্বাচনে সরকারকে সাংগঠনিক শক্তির ব্যাপকতা বুঝিয়ে দিতে চায়। আমরা অনেকদিন নীরব ছিলাম। অনেক সহ্য করেছি। আর করব না। নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে লাশ ফেলে দেওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন তারেক স্যার। সুতরাং আমরা সরকারকে কোন ধরনের ছাড় দিতে চাই না।  রাজনীতি রক্ত চায়। বিএনপি রক্ত দিতে পারে, প্রয়োজনে বিরোধীদের রক্ত ঝরাতেও পারে।