শনিবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৬   ০৯ রবিউস সানি ১৪৪১

ঝালকাঠি আজকাল
৮৬

ঝালকাঠিতে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানীর পশুর হাট

প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০১৯  

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠিতে জমে উঠতে শুরু করেছে কোরবানীর পশুর হাট। স্থানীয় হাটগুলোতে ভারতীয় গরু কম থাকায় অনেকটা স্বস্তিতে রয়েছেন বিক্রেতারা। তবে গত বছরের তুলনায় এবছর গরুর দাম অনেকটা চড়া বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা।
মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ঈদুল আযহার এখনো বেশ কয়েকদিন বাকী থাকলেও ঝালকাঠি জেলায় ৫০টিরও বেশি স্থানে বসেছে পশুর হাট। ঝালকাঠির গাবখান, গুয়াচিত্রা, শ্রীরামপুর, কৈখালী ও বাঘরিসহ স্থায়ী-অস্থায়ী বাজরগুলোতে ক্রেতা-বিক্রেতা সমাগমে জমে উঠেছে কোরবানির পশুরহাট। ইতোমধ্যে ক্রেতা বিক্রেতা সমাগমে হাটগুলো জমে উঠতে শুরু করেছে। সব চেয়ে বড় পশুরহাট বসেছে ঝালকাঠি শহরের গুরুদম, নলছিটির চায়না মাঠ ও রাজাপুরের বাঘরি মাঠে। ৫০ হাজার থেকে শুরু করে দশ লাখ টাকা মূল্যের গরু উঠেছে হাটে। গত বছরের তুলনায় দাম একটু বেশি হলেও ক্রেতাদের ধারনা বর্তমান চড়া দাম শেষ পর্যন্ত থাকবে না। স্থানীয় খামারে দেশিয় খাবার দিয়ে মোটাতাজা গরুই বেশি পছন্দ ক্রেতাদের।
এবছর উপজেলার কোরবানীর পশুর হাটগুলোতে সরেজমিনে দেখা গেছে, ৫০/৬০ হাজার তেকে সর্ব্বোচ্চ দেড়লাখ পর্যন্ত দামের গরু বেচাকেনা হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্রেতাই ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার মধ্যেই মাঝারি ধরণের গরু কিনছেন।

অন্যদিকে বিক্রেতারা জানিয়েছেন পরিবহন খরচ বৃদ্ধি কারনে গরুর দাম বেশি পরে যাচ্ছে। তবে ভারতীয় সীমান্তবর্তী এলাকার গরু কম থাকায় স্থানীয় গরুর এবার দাম ভালো পাওয়া যাবে।

ব্যবসায়ী দেলোয়ার বলেন, এখনো হাটে ভারতীয় গরু আমদানী হয়নি তাই আমার এবছর ভালো দাম পাবো। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত ভারতীয় গরু আমদানী না হলে আশানুরূপ দামে গরু বিক্রি হবে বলে তারা আশাবাদী এ ব্যবসায়ী।

বিক্রেতারা মো. কবির জানায়, যশোর, সাতক্ষীরা খুলনা, চিতলমারি ও রাজশাহীসহ বিভিন্ন স্থান থেকে ৫০টি গরু চড়ামূল্যে কিনে পরিবহণ ব্যয় মিলিয়ে যে দাম পড়ছে, স্থানীয় বাজারে সেতুলনায় দাম অনেক কম।
ক্রেতা মো. মনির হোসেন বলেন, স্থানীয় বাজাররে এবছর ভারতীয় গরুর না আসায় এবং দেশি গরুর আমদানী কম থাকায় গত বছরের তুলনায় এবারে দাম কিছুটা বেশি।

এ বছর ঝালকাঠি জেলায় ৫৫ হাজার গরুর চাহিদা রয়েছে। হাটগুলোতে অসুস্থ পশু বিক্রি বন্ধে প্রাণি সম্পদ বিভাগের নজরদারি রয়েছে বলে জানান, ঝালকাঠি জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোহাম্মদ ছাহেব আলী। তিনি বলেন স্থানীয় বাজারগুলোতে মনিটিং করা হচ্ছে, রোগাক্রান্ত কোন পশু বাজারে উঠালে তা চিহ্নিত করা হয়।

পবিত্র ঈদ-উল আযহাকে সামনে রেখে ঝালকাঠিতে ব্যাংক ও বীমা কর্মকর্তা, ব্যবসায়ী ও ইজারাদারদের নিয়ে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা করেছে জেলা পুলিশ।

পুলিশ সুপার ফাতিহা ইয়াসমিন জানান, হাট গুলোতে জাল টাকা সনাক্ত করতে বসানো হচ্ছে মেশিন। পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরণের সহযোগিতা করা হবে।  

 

এই বিভাগের আরো খবর