• বুধবার   ১৪ এপ্রিল ২০২১ ||

  • বৈশাখ ১ ১৪২৮

  • || ০১ রমজান ১৪৪২

ঝালকাঠি আজকাল
ব্রেকিং:
শান্তিরক্ষীদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই : প্রধানমন্ত্রী বিশ্বে শান্তি নিশ্চিত করাটাই চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ স্বীকৃতি পাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাবর্তন জলবায়ু কূটনীতিতে নতুন গতির সঞ্চার হবে প্রিন্স ফিলিপের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় একাত্তরের ১০ এপ্রিল ডি-৮ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়াতে হবে:প্রধানমন্ত্রী করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ডি-৮ এর প্রতি প্রধানমন্ত্রী আহ্বান আজ বৈঠকে বসছেন ডি-৮ শীর্ষ নেতারা মানুষ বাঁচাতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ছোটদের ঘরটি যেমন হওয়া চাই

ঝালকাঠি আজকাল

প্রকাশিত: ১ এপ্রিল ২০২১  

বাড়িতে যাদের ছোট সদস্য আছে তাদের থাকার ঘরটি হতে হবে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণীয়। নিজের ঘরের চাইতেও বাচ্চাদের ঘর সাজানোর ব্যাপারে বেশি যত্নশীল হতে হবে। কারণ বাচ্চাদের ঘর একটু বেশি নোংরা হয়। তাছাড়া বাচ্চারা ঘর গুছিয়ে রাখতেও দক্ষ নয়। তাই আপনাকেই এর দায়িত্ব নিতে হবে।

বাচ্চাদের ঘর সাজানর ক্ষেত্রে কিছু বিষয় অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। যেমন- তাদের ঘরের দেয়াল ও আসবাবপত্র। অবশ্যই এসব জিনিস এমনভাবে বাছাই করবেন যাতে বাচ্চাদের পছন্দ হয় এবং ঘরও কম নোংরা হয়। চলুন এবার জেনে নেয়া যাক ছোটদের ঘরটি কীভাবে সাজাবেন সে বিষয়ে কিছু প্রয়োজনীয় টিপস-

>> শিশুদের ঘরে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে রঙের ব্যবহার। যেকোনো উজ্জ্বল রঙ যেমন লাল, নীল, সবুজ, হলুদ ব্যবহার করতে পারেন। ফার্নিচারেও করতে পারেন এরসঙ্গে মানান সই রঙ। অন্যান্য জিনিসপত্রেও থাকবে রঙের ছোয়া।

>> ঘরের ভেতর ঢুকতেই প্রথমে যা চোখে পরে তা হচ্ছে ঘরের দেয়াল। সেক্ষেত্রে আপনি আপনার সন্তানের পছন্দের কার্টুন চরিত্র দিয়ে ফুটিয়ে তুলতে পারেন তার ঘরের দেয়ালটি। নকশার ওয়াল পেপারের চেয়ে রূপকথাভিত্তিক ওয়াল পেপার বা কার্টুনের কোনো চরিত্র বা জীবজন্তুর ছবি দেয়া, পাখি বা মাছের ছবি এগুলো শিশুদের ঘরে বেশি আকর্ষণীয় হবে।

>> শিশুর ঘরের আসবাব পত্রের রঙ হবে উজ্জ্বল। আসবাবপত্র হবে অনেকটা খেলার মত। অপ্রয়োজনীয় আসবাবপত্রগুলো গুছিয়ে অন্য কোথাও রাখুন। মজার মজার কার্টুন আকারের কোনো আসবাব বেছে নিতে পারেন শিশুর ঘরের জন্য।

>> জামাকাপড় এবং অনান্য জিনিস স্টোর করার জন্য মাল্টি পকেট অর্গানাইজারের ব্যবস্থা করুন। যাতে এক জায়গাতেই সব জিনিস পাওয়া যায়।

>> পর্দার ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব হালকা রঙ ব্যবহার করতে পারেন। সুতি বা কটন কাপড়ের পর্দা নির্বাচন করতে পারেন। এতে সহজেই ঘরে আলো বাতাস যাবে।

>> বিছানার চাদর আরামদায়ক না হলে শিশুর ঘুম ভালো হবে না এবং শিশুটির মেজাজ সব সময় খিটখিটে হয়ে থাকবে। রঙের ক্ষেত্রে যেমন সাদা, হালকা সবুজ, গোলাপি, হালকা নীল- এসব রঙ নির্বাচন করা।

>> আপনার শিশুর ঘরের এক পাশে খেলার জিনিসপত্র দিয়ে আলাদা একটি জগৎ তৈরি করুন। সেখানে একটি মাদুর বিছিয়ে রাখতে পারেন যাতে বাচ্চারা সেটার ওপর বসে খেলতে পারে।

>> শিশুর ঘরের ভেতর বনসাই গাছ লাগাতে পোরেন। আপনার শিশুটির ঘরটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠবে।

>> ঘরের একদিকের দেয়ালে বই রাখার ব্যবস্হা করে দিন। ছোট থেকেই ওদের পড়ার অভ্যাস তৈরি করতে হবে। দেখবেন ওরা যেন নাগালের মধ্যে পায়। ঘরের দেয়ালেই আলাদা করে বুক স্টোরেজ বানিয়ে দিন।

>> বাচ্চাদের ঘরে জোড়ালো আলো হলেই ভালো হয়, কারণ কম আলোয় ওদের পড়াশোনা করতে অসুবিধে হবে। বাচ্চাদের রুমের জন্য হোয়াইট কালার লাইট একদম পারফেক্ট।

ঝালকাঠি আজকাল