বুধবার   ২০ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৫ ১৪২৬   ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

ঝালকাঠি আজকাল
১৫

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল: উপকূলীয় জেলাগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০১৯  

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল’র তাণ্ডব মোকাবিলায় উপকূলীয় জেলাগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা থেকে মধ্যরাতের মধ্যে বুলবুল বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল আঘাত হানতে পারে।

এরইমধ্যে উপকূলীয় পাঁচ জেলায় বিপদ সংকেত দেয়া হয়েছে। এসব আঞ্চলের লোকজনের নিরাপদে স্থানে আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে নানা প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা।

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলায় প্রস্তুতি শুরু করেছে চট্রগ্রাম জেলা প্রশাসন। উপকূলীয় আশ্রয় কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সৈকত সংলগ্ন এলাকা থেকে মানুষ যাতে আগেই নিরাপদ অবস্থানে সরে যায় সেজন্য মাইকিং করা হচ্ছে।

 

 

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের স্টাপ অফিসার তানভীর ফরহাদ শামীম জাননা, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল মোকাবিলার প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে উপকূলীয় উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাদের আশ্রয় কেন্দ্রেগুলো প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। 

কন্ট্রোল রুম খোলার পাশাপাশি উপকূলীয় এলাকার লোকজনকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য মাইকং শুরু করেছেন চাসিক কর্মীরা।

 

এছাড়া কক্সবাজর, সাতক্ষীরা, লক্ষ্মীপুর, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল জেলাগুলোতে ঘূর্ণীঝড় বুলবুল মোকাবিলায় ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র ভোলার ফেরি ইনচার্জ মো. এমরান বলেন, শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ভোলা-লক্ষ্মীপুর ও ভেদুরিয়া-লাহার হাট রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। 

 

 

বরিশালের উপকূল এলাকায় মাইকিং করে জনসাধরণকে সতর্ক করছে ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কেন্দ্রের (সিপিপি) স্বেচ্ছাসেবকরা। দুর্যোগ মোকাবিলায় জরুরি সভা করেছে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির বরিশালের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. আব্দুর রশীদ জানান, বরিশাল জোনের ৬ হাজার ১৫০ জন সেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত করা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় বিষয়ে জনসাধারণকে অবগত করার জন্য সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলোতে পতাকা টানানো হয়েছে।

এদিকে, ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স কো-অর্ডিনেশন সেন্টারের (এনডিআরসিসি) প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড় বুলবুল আরো ঘণীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ-খুলনা উপকূল (সুন্দরবনের কাছ দিয়ে) অতিক্রম করতে পারে।

শুক্রবার রাত ৯টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৬০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৫৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিলো।

 

এই বিভাগের আরো খবর