বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

ঝালকাঠি আজকাল
৫২

কাঁঠালিয়ায় পোকা শনাক্তকরণে আলোক ফাঁদ

প্রকাশিত: ২৩ অক্টোবর ২০১৯  


ঝালকাঠির কাঠালিয়ায় আমন ফসলের ক্ষতিকর ও উপকারি পোকার উপস্থিতি শনাক্তকরণে আলোক ফাঁদ বসানো হয়েছে। 
পোকার শনাক্তকরণ ও উপস্থিতি জেনে দমন পদ্ধতির ব্যবস্থা গ্রহনে বিভিন্ন ব্লকে আলোক ফাঁদ তৈরী করা হচ্ছে। 
এ পদ্ধতি ব্যবহারে কৃষকদের উদ্ধুদ্ধ করতে একযোগে উপজেলার সকল ব্লকে এ ফাঁদ স্থাপন করা হয়।
উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার বিভিন্ন স্থানে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হয়। 
এদিন সন্ধ্যায় শৌলজালিয়া ইউনিয়নের বলতলা, চেচরী রামপুর ইউনিয়নের দক্ষিন চেচরী ও কাঠালিয়া সদর ইউনিয়নের জয়খালী ব্লকে স্থাপিত আলোক ফাঁদ পরিদর্শন করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মো.শহীদুল ইসলাম, সম্প্রসারন অফিসার মো.মনিরুল ইসলাম প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হোসেন খান ও সোহানুর রহমান। প্রথমে বলতলা ব্লকে পরিদর্শনের সময় মো.হাসিবুর রহমান ও মো.বখতিয়ার উদ্দীন শান্তসহ স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন। দক্ষিন চেচরী ব্লকের আলোক ফাঁদ পরিদর্শনের সময় উপসহকারি কৃষি অফিসার মো.মাহতাব উদ্দীনসহ শতাধিক স্থানীয় কৃষক ও কৃষানী উপস্থিত ছিলেন। জয়খালী ব্লকে উপসহকারি কৃষি অফিসার আবুল কালামসহ স্থানীয় কৃষকরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 
এছাড়া বাঁশবুনিয়া ও আমুয়া ব্লকে আলোক ফাঁদ পরিদর্শন করেন সহকারি কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো.মোশারফ হোসেন, উপসহকারি উদ্ভিদ সংরক্ষন অফিসার মো.জামাল হোসেন এ সময় উপসহকারি কৃষি অফিসার মো.আলতাফ হোসেন ও অদিতি রানীসহ স্থানীয় কৃষকরা উপস্থিত ছিলেন। 
আলোক ফাঁদ পরিদর্শনের সময় কৃষকদের মাঝে সচেতনতামূলক বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারন অফিসার মো.মনিরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ধান ক্ষেতে উপকারী ও ক্ষতিকারক পোকা উপস্থিতি নিণয়ের জন্য এ আলোক ফাঁদ। এটি পরিবেশ বান্ধব। 
উপজেলা কৃষি অফিসার মো.শহীদুল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যার শুরুতেই আলোক ফাঁদ স্থাপন করতে হয়। কৃষি জমির খানিক দুরে অন্ধকারে বাতি জ্বালিয়ে বাতির নিচে সাবান, কেরসিন কিংবা ডিটারজেন্ট মিশ্রিত পানি গামলা বা বালতির মধ্যে রেখে এ ফাঁদ তৈরী করতে হয়। আলোর উপস্থিতি পেয়ে বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর পোকা এসে গামলা বা বালতির মধ্যে পড়ে আটকে যায়। এর মাধ্যমে ক্ষতিকর পোকা শনাক্ত করে ধান ক্ষেতে পরবর্তি দমন পদ্ধতি ঠিক করা হয়।


 

এই বিভাগের আরো খবর