বৃহস্পতিবার   ২১ নভেম্বর ২০১৯   অগ্রাহায়ণ ৭ ১৪২৬   ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

ঝালকাঠি আজকাল
৩১৫

এবার ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ছেন কাদের সিদ্দিকী, ৩০ দিনের আল্টিমেটাম

প্রকাশিত: ৯ মে ২০১৯  

২০ দলীয় জোটের ভাঙন শুরু হয়েছে। এমনকি ভাঙন ধরেছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টও। আন্দালিব রহমান পার্থসহ ২০ দলের শরিক বেশ কয়েকটি দলের জোট ছাড়ার ঘোষণার পর এবার ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী। ঐক্যফ্রন্ট ছাড়ার প্রাক্কালে তিনি ফ্রন্টের অসংগতি নিরসন করতে একমাসের সময় বেঁধে দিয়েছেন। অন্যথায় জোট ছাড়বেন কাদের সিদ্দিকী।

বৃহস্পতিবার (৯ মে) দুপুরে রাজধানীর মতিঝিলে দলের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে কাদের সিদ্দিকী বলেন, নির্বাচন পরবর্তী পর্যায়ে ঐক্যফ্রন্টকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা যায়নি। বিশেষ করে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করার পর কারও সঙ্গে আলোচনা না করেই সাতজন শপথ নিয়েছেন। যা জোটের শরিকদের জন্য লজ্জা ও অসম্মানজনক। তিনি প্রশ্ন তুলে বলেন, ঐক্যফ্রন্ট পরিচালনায় কেনো দুর্বলতা? সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত কেনো নেওয়া যাচ্ছে না?

ড. কামালকে ইঙ্গিত করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, মোকাব্বির খানকে গেট আউট বলে কাউন্সিলে আবার তাকে পাশে বসিয়ে সভা করেন। এসব বিষয় মানুষের মনে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। আমরা আজকের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আগামী এক মাসের মধ্যে যে যে অসংগতি আছে তা সঠিকভাবে নিরসন করা না হলে ৮ জুন ঐক্যফ্রন্ট থেকে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করবে। জোটের অন্য শরিকরাও এ জোট থেকে বের হতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন তিনি।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমালোচনা করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, নির্বাচন পরবর্তী সময়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট সঠিকভাবে চলতে পারেনি, চলেনি। বিএনপির শপথ নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘তথাকথিত’ নির্বাচিতরা শপথ নিলেন, কিন্তু বিএনপি মহাসচিব শপথ থেকে বিরত থাকলেন- এসব মানুষকে বিভ্রান্ত করে।

সূত্র বলছে, কাদের সিদ্দিকীর এমন আল্টিমেটাম মূলত জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শরিকদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষেই। অর্থাৎ ২০ দলীয় জোটের শরিকদের মতোই, ঐক্যফ্রন্টের শরিকরাও বিএনপি ইচ্ছা-স্বাধীন সিদ্ধান্তে বিরক্ত। ফলে উভয় জোটের শরিকরাই বিএনপিকে ছেড়ে যেতে প্রস্তুতি নিচ্ছে।

এই বিভাগের আরো খবর