• রোববার   ১২ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৮ ১৪২৭

  • || ২১ জ্বিলকদ ১৪৪১

ঝালকাঠি আজকাল
ব্রেকিং:
ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরির মামলায় জেকেজির ডা. সাবরিনা গ্রেফতার করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ৪৭ মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৬৬ করোনা মোকাবেলায় শেখ হাসিনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও দূরদর্শিতা মজুরির চেয়ে বেশি টাকা ঘরে বসেই পাবেন পাটকল শ্রমিকরা-প্রধানমন্ত্রী রাতের অন্ধকারে যারা ক্ষমতায় এসেছিল তারাই দেশকে দুর্নীতি শিখিয়েছে করোনাভাইরাসে মারা গেলেন আরও ৪১ জন যে যাই হোক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি, নেব: প্রধানমন্ত্রী করোনা সংকট উত্তরণে এখনই জোরালো-সুসমন্বিত বৈশ্বিক সাড়া দরকার উত্তরার পর রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর শাখাও সিলগালা ক্ষতি ও অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের মধ্যে ভারসাম্যের কৌশল নিয়েছে সরকার
৮৭

একইসঙ্গে তিনি ডিআইজি-এসপি!

ঝালকাঠি আজকাল

প্রকাশিত: ১৪ জানুয়ারি ২০২০  

 


নাম তার ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ আজাদ। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার পরিচয়ে নিরীহ মানুষের সর্বস্ব হাতিয়ে নেয়াই তার পেশা। ঢাকার খিলগাঁও এলাকা থেকে চতুর এই প্রতারককে আটক করেছে পুলিশ।

আটক ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ আজাদ কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার হরিচর ইউপির বাকুই গ্রামের আব্দুল হামিদের ছেলে। সে ঢাকা খিলগাঁও এলাকায় আনসার কোয়ার্টারের পাশে খিলগাঁও আবাসিক এলাকায় থাকতেন।

মঙ্গলবার কুমিল্লা জেলা পুলিশের এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতারক ফখরুদ্দিন জানায়, ১৯৯১ সালে এসআই পদে যোগাদান করার পর শিক্ষানবিশ অবস্থাতেই এক লাখ ২৫ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের দায়ে তার চাকরি চলে যায়। এরপর ২০০০ সালে সে ডিবি পরিচয়ে ছিনতাই করার সময় ডিএমপি ডিবি পুলিশের হাতে আটক হয়। সাত মাস হাজতবাস শেষে সে স্থায়ীভাবে চাকরিচ্যুত হয়। তারপর থেকে সে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার নাম পরিচয় ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণার মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল। তার আটকের সংবাদ পেয়ে এরইমধ্যে প্রতারিত ব্যক্তিরা এসপি কার্যালয়ে যোগাযোগ শুরু করেছে। 

প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি আরো জানান, ফখরুদ্দিন নিজেকে কখনো ডিআইজি, এসপি, অ্যাডিশনাল এসপি আবার কখনো এএসপি পরিচয় দিয়ে আসছেন। পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তার পরিচয় দিয়ে মানুষের দুর্বলতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। সর্বশেষ কনস্টেবল নিয়োগে কুমিল্লায় চাকরি দেয়ার কথা বলে আশফাক আহমেদ নামে এক প্রার্থীর বাবাকে ডিআইজি চট্টগ্রাম রেঞ্জের স্বাক্ষরিত ভুয়া চিঠি দেখিয়ে কুমিল্লার এসপি সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য ইন্সপেক্টর জেনারেল এবং স্বরাষ্ট্র সচিবকে উল্লেখ করে। পরবর্তীতে প্রার্থীর বাবা সাইদুল ইসলামের (অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক) কাছ থেকে ফখরুদ্দিন ১১ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

একই ধরনের প্রতারণার শিকার হয়েছেন রেজাউল করিম এবং মো.আনোয়ারুল ইসলামসহ একাধিক ব্যক্তি। 

এসপি সৈয়দ নুরুল ইসলাম বলেন, ফখরুদ্দিন মোহাম্মদ আজাদ এবং তার গাড়ি চালক পুলিশের কাছে আটক রয়েছে। তবে ফখরুদ্দিনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়েছে। 

প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লার অ্যাডিশনাল এসপি মো. আবদুল্লাহ-আল মামুন, সাখাওয়াত হোসেন, সদর সার্কেলের অ্যাডিশনাল এসপি তানভীর সালেহীন ইমন।

ঝালকাঠি আজকাল
জাতীয় বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর